তাজমিনের কথিত প্রেমিক রাজু চৌধুরী নিয়ে বেশ কিছু গোপন তথ্য পাওয়া গেলো৷
রাজু মূলত এলাকায় থাকতে টুকটাক চু%রি করতেন৷ শহরে এসে নামের পাশে লাগালেন ‘চৌধুরী’! মানে রাজু চৌধুরী৷
শিশু তাজমিনের মৃ%ত্যু&র পর রাজু কয়েকজন সাংবাদিকদের নিজের ইন্টারভিউ দেয়৷ সেই তথ্যের জের ধরে গতকাল কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷
রাজু আর তাজমিনের পরিচয় ইন্সটাগ্রামে৷ মাত্র ৩-৪ মাসের প্রেমের সম্পর্ক তাদের৷ রাজুর সেখানে কাজ করা কিছু মানুষের অভিযোগ রয়েছে, রাজু এর আগেও নাকি মেয়েদের সঙ্গে মিথ্যা প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন৷ সে সময় রাজু নিজেকে বিত্তশালী পরিবারের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিতেন।
নিজের নামের সাথে চৌধুরী লাগিয়ে বলতেন৷ তার বাবার কক্সবাজারে দামি হোটেল রয়েছে এবং তিনি সেই হোটেলের দায়িত্বে আছেন৷ সমুদ্রসৈকত দেখানো ও বিলাসবহুল জীবনযাপনের কথা বলে মেয়েদের বিশ্বাস অর্জন করেতেন৷ মূলত এগুলো ছিলো তার একটা ফাঁদ৷
রাজু নিজেকে হোটেলের মালিকপক্ষের লোক হিসেবে পরিচয় দিলেও প্রকৃতপক্ষে তিনি সেখানে সার্ভিসম্যান হিসেবে কাজ করতেন।
তাজমিনের ক্ষেত্রেও কি একই কৌশল ব্যবহার করা হয়েছিল কি না সেটা এখনো জানা যায়নি৷ তবে প্রশ্ন থেকে যায় অল্প কয়েক মাসে একটা মেয়ের বিশ্বাস অর্জন করে কিভাবে তাকে কক্সবাজার নিলো রাজু?
তাজমিন বেঁচে নেই সে থাকলে সঠিক উত্তর জানা যেত৷ এমনও হতে পারে রাজু নিজে জোর করে তাজমিনকে কক্সবাজার আসতে বলে৷ সত্যি কি জানিনা সেটা পুলিশ বের করবে৷
কারও দামি পোশাক, বিলাসবহুল জীবনযাপনের ছবি কিংবা বড়লোক পরিচয় দেখে অল্প সময়ের মধ্যে অন্ধভাবে বিশ্বাস করাটা বোকামি৷
তবে যেই প্রশ্নটা আমার মনে ঘুরতেছে৷ হোটেল মালিক একটা মেয়ের বয়স ১৫ জানার পরেও তারা কিসের ভিত্তিতে এদের হোটেলে রুম দিছে৷ হোটেল মালিক ও কিন্তু এটার দায় এড়াতে পারে না৷
সবশেষে একটা কথাই বলি! সোশ্যাল মিডিয়ায় কেবল আমরা যা দেখাই মানুষ সেটাই দেখে৷ তাই কারো কোনো কিছু এখানে দেখেই তার প্রতি আকৃষ্ট হবেন না৷
আপনাদের কি মনে হয়! আজকাল বাচ্চারা কিসের মোহে একটা অপরিচিত মানুষকে এতো সহজে বিলিভ করে ফেলে?
আর রাজুর কি শাস্তি হওয়া উচিত বলে মনে করেন? নাকি তার কোনো দোষই নাই?