উত্তরবঙ্গে কেমিক্যাল, স্যাকারিন ও ময়দা মিশিয়ে নকল গুড় তৈরির অভিযোগ! স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ
উত্তরবঙ্গে খেজুরের গুড়ের মৌসুম ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ভেজাল গুড় তৈরি ও বাজারজাতকরণ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। খাঁটি খেজুরের গুড়ের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন উপাদান মিশিয়ে নকল গুড় তৈরি করতে পারে—এমন আশঙ্কা দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। বিশেষ করে কেমিক্যাল, স্যাকারিন ও ময়দা মিশিয়ে গুড়ের মতো দেখতে পণ্য তৈরির অভিযোগ সামনে এলে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।
তবে উত্তরবঙ্গের ঠিক কোন এলাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে, কারা জড়িত কিংবা প্রশাসন কোনো অভিযান চালিয়েছে কি না—এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্য ছাড়া অভিযোগটিকে নিশ্চিত ঘটনা হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। বিষয়টি যাচাই করে দেখা জরুরি।
কীভাবে তৈরি হতে পারে ভেজাল গুড়?
খাঁটি খেজুরের গুড় সাধারণত খেজুরের রস জ্বাল দিয়ে তৈরি করা হয়। রস সংগ্রহ, পরিষ্কার করা এবং নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় জ্বাল দেওয়ার মাধ্যমে গুড় প্রস্তুত করা হয়। অন্যদিকে, ভেজাল পণ্য তৈরির ক্ষেত্রে কিছু অসাধু উৎপাদক কম খরচে বেশি পণ্য তৈরি করার উদ্দেশ্যে অনুমোদনহীন উপাদান বা নিম্নমানের কাঁচামাল ব্যবহার করতে পারেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা কেমিক্যাল, স্যাকারিন ও ময়দার মতো উপাদান ব্যবহার করা হলে পণ্যের স্বাদ, রং, ঘনত্ব ও গঠন বদলে যেতে পারে। তবে এসব উপাদান কোনো নির্দিষ্ট গুড়ে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা পরীক্ষাগার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
ভেজাল গুড় খেলে কী ধরনের ঝুঁকি হতে পারে?
খাদ্যে অননুমোদিত রাসায়নিক বা অস্বাস্থ্যকর উপাদান মেশানো হলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ঝুঁকির ধরন নির্ভর করে কোন উপাদান কত পরিমাণে ব্যবহার করা হয়েছে এবং পণ্যটি কীভাবে তৈরি ও সংরক্ষণ করা হয়েছে তার ওপর।
বিশেষ