এই দেশে সত্যি কোন বিচার নেই ,
২০০৯ সালের পিলখানা হ/ত্যা/কাণ্ডে আমরা হারিয়েছি ৫৭ জন মেধাবী ও চৌকস সেনা অফিসারকে। বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও সেই নির্মম হ/ত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার আজো সম্পন্ন হয়নি। একইভাবে নৃশংসভাবে হ/ত্যা করা হলো শহীদ ওসমান হাদীকে, কিন্তু তাঁর খু/নিদেরও কোনো বিচার মেলেনি। উল্টো দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে অপরাধীরা অবলীলায় পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে গেছে।
বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতা ও ব্যর্থতার ধারাবাহিকতায় এবার আমরা হারালাম ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিন সাউরিকে। তাঁকেও নির্মমভাবে হ/ত্যা করা হয়েছে। অতীতের ইতিহাস বলে, হয়তো তাঁর ক্ষেত্রেও আমরা কেবল বিচারের আশ্বাসই শুনব, কিন্তু প্রকৃত বিচার অধরাই থেকে যাবে।
একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে যখন একের পর এক এমন জঘন্য অপরাধের বিচার হয় না, তখন অপরাধীরা আরও দ্বিগুণ সাহসে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতিই আজ খু/নি ও সন্ত্রাসীদের সবচেয়ে বড় আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে, যা আমাদের পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রকে এক চরম অনিশ্চয়তা ও অনিরাপত্তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
আমরা কি এভাবেই একের পর এক মেধাবী প্রাণ হারাতে থাকব, আর অপরাধীরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াবে? এই বিচারহীনতার অবসান আজ সময়ের দাবি।