৭ তারিখ রাত ১১:৪৫ মিনিটে তাজমিন কক্সবাজার থেকে বাসে করে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার নূরজাহান হোটেলের সামনে এসে নামে।
রাত ১২:১৫ মিনিটের দিকে বাসায় ফেরার জন্য তাজমিন চালক সুমনের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে। রেসকোর্সের বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা থাকলেও বদমাইস সুমন তাকে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরিয়ে সময় ক্ষেপণ করে। এরপর শর্টকাট রাস্তার বাহানা দিয়ে গ্রামের একটি নির্জন ও অন্ধকার ধানখেতের পাশে নিয়ে যায়।
নির্জন জায়গায় গাড়ি থামানোর পর তাজমিন বুঝতে পারে সে বিপদে পড়েছে। সে বাঁচার জন্য সিএনজি থেকে নেমে ধানখেতের মধ্য দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সুমন পেছনে ধাওয়া করে তাকে ধরে ফেলে। তাজমিন চিৎকার শুরু করলে সুমন নিজের গামছা দিয়ে তাজমিনের গ* পেঁ**য়ে ধরে শ্বা* রোধ করে। মেয়েটি যখন দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সুমন তাকে ধ****ণ করে।
এরপর তাজমিনের মৃ** পুরোপুরি নিশ্চিত করার জন্য সুমন তার মা\ * থা কাদার মধ্যে পা দিয়ে চে*** ধরে রেখে তাকে হ*** করে।
এরপর সুমন তাজমিনের ব্যাগ থেকে তার ব্যবহৃত আইফোনটি চু–রি করে। পুলিশকে বিভ্রান্ত করতে তাজমিনের ব্যাগ ও নিজের সিএনজিটি ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে সে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সে কুমিল্লার বাকরাবাদের একটি পুকুর পাড়ের ঝোপের মধ্যে ফোনটি লুকিয়ে রেখে চট্টগ্রামে গিয়ে আত্মগোপন করে।
বিপদ টের পেয়ে মৃ**র ঠিক আগমুহূর্তে, বুধবার রাত ২:৫৮ মিনিটে তাজমিন তার বাবার হোয়াটসঅ্যাপে নিজের লাইভ লোকেশন শেয়ার করে উদ্ধারের জন্য একটি বার্তা পাঠিয়েছিল। কিন্তু গভীর রাত হওয়ায় তাজমিনের বাবা ঘুমিয়ে ছিলেন এবং বার্তাটি দেখতে পাননি।
পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে ৯৯৯-এ কল পেয়ে লালমাই থানা পুলিশ জগতপুর গ্রামের কাদাভর্তি ধানখেত থেকে তাজমিনকে উদ্ধার করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে মেসেজটি দেখে তাজমিনের বাবা ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং মেয়েকে শনাক্ত করেন।
সিএনজিচালক সুমনের তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের আইফোনটি উদ্ধার করে…