অবশেষে বে’রিয়ে আসলো সত্য ঘ’টনা, সোহেল বলে আমি একা করি নাই আমার সা…See More

রান্নাঘর থেকে শব্দ শুনছি। মনে করছি, পাশের ফ্ল্যাটের বাচ্চা চিৎকার দেয়। আমার মেয়ে যে চিৎকার দিতেছে, আমি সেটা বুঝতে পারি নাই। মনে করেছি, ওর সাথে বড় মেয়ে গেছে, আমার মেয়ে চিৎকার দিবো কেমনে?’ কথাগুলো বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজধানীর পল্লবীতে ধ/র্/ষ/ণে/র পর নৃশংস হ/ত্/যা/কা/ণ্/ডের শিকার শিশুটির মা

গতকাল বুধবার দুপুরে পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১ নম্বরে শিশুটির বাসায় গিয়ে তার মা, বড় বোনসহ স্বজনদের সঙ্গে কথা হয়। গত মঙ্গলবার এই ভবনের অন্য একটি ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানার বাসায় ধ/র্/ষ/ণে/র পর নৃশংসভাবে হ/ত্/যা করা হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিশুকে।

দুপুরে বাড়ির সামনে গিয়ে দেখা যায়, হ/ত্/যা/কা/রীদের জনসমক্ষে ফাঁ/সির দাবিতে ব্যানার ঝুলছে। স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে আছে, কেউ কেউ ক্ষোভ জানাচ্ছে। নি/হ/ত শিশুটির পরিবার যে ফ্ল্যাটে থাকে, সেটির দরজা খুলতেই একটি কক্ষ। ডান দিকের ভেতরে আরেকটি কক্ষ। অভিযুক্ত সোহেলের বাসা তাদের ফ্ল্যাটের বিপরীতে। ওই বাসার দরজা তালাবদ্ধ দেখা যায়। দরজার সামনে কয়েকটি স্যান্ডেল পড়ে রয়েছে। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর নি/হ/ত শিশুটির বাসায় গিয়ে কথা হয় তার মা ও বড় বোনের সঙ্গে।

শিশুটির মা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকালে বড় বোন…বাসার সামনেই চাচার বাসায় যাইবো। দুই বোনই বের হইছে। ওকে (নি/হ/ত শিশু) ধাক্কা মাইরা রাইখা গেছে। আমি ভেতরের রুমে। আমি ভাবছি, ওর সাথে চইলা গেছে। দুই মেয়ে গেছে। তার পাঁচ মিনিট পরই ও (বড় মেয়ে) আইসা পড়ছে। দেখি ও একা। তখনই ওরে (নি/হ/ত শিশু) খোঁজাখুঁজি করি। সব ধাক্কাইছি।’ এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

কান্না সামলে আবার বলেন, ‘বেশি সময় না, পাঁচ মিনিট। আমার মাইয়্যা দরজাটা খুইলা দাঁড়াইছে, ও মনে হয় টান দিয়া নিয়া গেছে। এই দরজা ধাক্কাইছি, উপরের দরজা ধাক্কাইছি। সব দরজা খুলছে, কিন্তু এই (সোহেলের বাসা) দরজা খুলে নাই। তাদের (সোহেল) সঙ্গে কোনো কথাই হয় নাই। বলিও নাই।…তবে কেন এমন হইয়া গেল?’

ওই নারী আরও বলেন, ‘একটা জুতা পড়া ছিল। হয়তো আমার মেয়ে একটা জুতা পরেছে, আরেকটা জুতা পরতে পারে নাই, টান দিয়া নিয়া গেছে। এই জুতাটা পইরা নিচে নামে। দরজার সামনে একটা পড়া, আরেকটা নাই। এর জন্যই ওই বাসার দরজাটা ধাক্কাইছি। সবার দরজা খুলছে, ওই দরজা খুলে নাই। পরে লোকজন এসে ভাঙছে।’

শিশুটির স্বজনেরা জানান, ছোট বোনকে এড়িয়ে চাচার বাসায় যাচ্ছিল বড় মেয়ে। কিন্তু ছোট বোন পেছন পেছন বের হয়ে আসায় ফিরে গিয়ে বোনকে বাসায় রেখে আবারও বের হয়ে যায় সে। কিন্তু তার পেছন পেছন আবারও বেরিয়ে আসে ছোট মেয়ে। বোনকে লুকিয়ে যেতেই আর পেছন ফিরে দেখেনি বড় মেয়ে। তবে বড় মেয়ে ফিরে আসতেই খোঁজ পড়ে ছোট মেয়ের। এরপর এক ফ্লোর থেকে অন্য ফ্লোর, এক বাসা থেকে অন্য বাসায় খুঁজতে শুরু করেন মা। কড়া নাড়েন সব দরজায়। কিন্তু সবাই দরজা খুললেও শিশুটির মায়ের ডাকে সাড়া দেননি পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটে সোহেল রানা (৩০) এবং তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তার (২৬)।

এ সময় নি/হ/ত শিশুটির বড় বোন বলে, ‘রাস্তার ওই পাশেই আমার চাচার বাসা। আমি চাচার বাসায় যাচ্ছিলাম। বোন আমার সাথে বের হতে চাইছে। আমি বলেছি, ঘরে যাও। এরপর আমি ওকে ঘরে ঢুকাইয়া তারপর বের হয়েছি। তখন আমি বের হয়েছি কি না দেখার জন্য বোন আবার গেটটা (ঘরের দরজা) খুলছে। আমি পিছে আর না তাকিয়ে চলে গে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *