এনসিপির মহাসচিব কে হচ্ছেন? যা বললেন পাটওয়ারী
নিজের বর্তমান দায়িত্ব ছেড়ে নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দিতে চান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তবে এনসিপির পরবর্তী নেতৃত্বে কে কোন পদে থাকবেন, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা রয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাংগঠনিক কাঠামো ও শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তনের আলোচনা নতুন করে সামনে এসেছে। দলের পরবর্তী নেতৃত্বে কে কোন দায়িত্ব পালন করবেন, বিশেষ করে মহাসচিব বা শীর্ষ সাংগঠনিক পদে কে আসতে পারেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাটওয়ারী জানান, তিনি দ্রুত নিজের বর্তমান দায়িত্ব ছেড়ে নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দিতে চান। রাজনীতি থেকে তুলনামূলক আগেভাগে অবসরে যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তবে পরবর্তী নেতৃত্বে নির্দিষ্ট কে কোন পদ পাবেন, সে বিষয়ে তাঁর বক্তব্যে চূড়ান্ত কোনো নাম ঘোষণা করা হয়নি। <Cite refs={[“turn997437search0”]}/>
নেতৃত্ব ছাড়তে চান পাটওয়ারী, কী বললেন তিনি?
এনসিপির সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার মধ্যে পাটওয়ারীর বক্তব্য বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। দলের বর্তমান দায়িত্বে থাকা এই নেতা জানিয়েছেন, তিনি নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার পক্ষে। তাঁর বক্তব্যে রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় একই দায়িত্বে থাকার পরিবর্তে নতুন নেতৃত্বের সুযোগ তৈরির ইচ্ছার প্রতিফলন দেখা যায়।
তবে নিজের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করা এবং আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করা এক বিষয় নয়। এ বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত, সাংগঠনিক প্রক্রিয়া এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ওপরই পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ভর করবে।
এনসিপির পরবর্তী শীর্ষ নেতৃত্বে কারা থাকতে পারেন?
অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশিত একাধিক সংবাদ প্রতিবেদনে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠনের আলোচনা উঠে আসে। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দলের আহ্বায়ক হিসেবে নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব হিসেবে আখতার হোসেনকে বহাল রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আব্দুল্লাহকে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব এবং সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব করার আলোচনা প্রকাশিত হয়েছিল। <Cite refs={[“turn997437search1″,”turn997437search2″,”turn997437search4”]}/>
তবে এসব প্রতিবেদন মূলত কমিটি পুনর্গঠন নিয়ে দলীয় সূত্রের তথ্য ও প্রস্তাবের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছিল। পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত দায়িত্ব বণ্টন সম্পর্কে নিশ্চিত হতে এনসিপির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুসরণ করা প্রয়োজন।