শ্বশুরবাড়িতে এত কিছু নিয়েও সন্তুষ্টি নেই!
৪৫০টি পিঠা, ৪০টি পেয়ারা, ১ কেজি বড় চিংড়ি মাছ, ১ কেজি আপেল, ৮টি ড্রাগন ফল, ৪ কেজি তেলাপিয়া মাছ ও ৩ কেজি দুধ নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন সিফাতুন!
কিন্তু অভিযোগ, শাশুড়ির নাকি এসব জিনিসও কম মনে হয়েছে! 
ছবিতে মার্ক করা মহিলাটিই সিফাতুনের শাশুড়ি বলে দাবি করা হচ্ছে। এত কিছু দেওয়ার পরও যদি সন্তুষ্টি না থাকে, তাহলে বিভিন্ন উৎসব ও অনুষ্ঠানে আরও কত কিছু চাওয়া হতে পারে, একবার ভাবুন!
যেসব পরিবার মেয়েদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্বশুরবাড়িতে পাঠান, তাঁদের একবার ভাবা উচিত—মেয়ের সুখ, নিরাপত্তা ও মানসিক শান্তি কি সমাজের লোকজনের কথার চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ?
আপনারা ভাবেন, মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে না গেলে সমস্যা হবে। কিন্তু মেয়ের জীবন যখন কষ্টে ভরে যায়, তখন সেই সমস্যার দায় কে নেবে?
মেয়েকে জোর করে এমন পরিবেশে পাঠাবেন না, যেখানে তার সম্মান, নিরাপত্তা ও মানসিক শান্তি নেই।
মেয়ের সুখের চেয়ে লোকের কথা বড় নয়। তার জীবন, তার ইচ্ছা এবং তার নিরাপত্তাই সবার আগে হওয়া উচিত।
একটি মেয়ের জীবন যেন পরিবারের সিদ্ধান্ত আর সামাজি