শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হ*ত্যাকা’রী আ’/টক।তার পরিচয় জানলে অবাক হবেন…..see more

৪৫ বছর পর আটক জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি, পরিচয় জানলে অবাক হবেন!

দীর্ঘ ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার এক আসামিকে আটক করার খবর প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আটক ব্যক্তির পরিচয়, অতীত এবং ১৯৮১ সালের সেই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

২০২৬ সালের ১৬ জুলাই প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেনকে আটক করে। পরবর্তী আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য তাঁকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। খবরটি প্রকাশ করেছে দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার, প্রথম আলো ও ঢাকা ট্রিবিউন।
সূত্রহোসেন?

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মো. মোজাফফর হোসেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক একজন মেজর। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর সামরিক আদালতের কার্যক্রমে তাঁর নাম আসে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে তাঁকে আটক করা হয় বলে ডিবির বরাতে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করার পর তাঁকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে আটক হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের অতিরঞ্জিত দাবি ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই কোন তথ্য পুলিশের বক্তব্য, কোনটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং কোনটি নিছক অনুমান—সেগুলো আলাদা করে দেখা জরুরি।

১৯৮১ সালের ৩০ মে কী ঘটেছিল?

১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল সেনা কর্মকর্তার হামলায় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত অধ্যায়।

জিয়াউর রহমান তখন চট্টগ্রামে অবস্থান করছিলেন। বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিবরণ ও সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর একদল সদস্যের বিদ্রোহের মধ্যেই তাঁকে হত্যা করা হয়। পরবর্তী সময়ে সামরিক আদালতে একাধিক সেনা কর্মকর্তার বিচার হয় এবং কয়েকজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

তবে সেই ঘটনার সব দিক নিয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *