স্পিকার বলেন, আজ আমার অফিসে এসে লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র দিয়ে গিয়েছেন জাতীয় সংসদের মহিলা আসন ২৩ এর সংসদ সদস্য ফেরদোসি আহমেদ মিষ্টি।এবং সংবিধানের বিধান মোতাবেক পদত্যাগ করা মাত্রই তাঁর এই আসনটি শূন্য হয়ে গেছে।
আজ থেকেই এই পদত্যাগপত্র কার্যকর হয়েছে।
স্পিকার আরও জানান যে, আসনটি শূন্য হওয়ার পর ইতিমধ্যে সেটি গ্যাজেট করার জন্য পাঠানো হয়েছে। গ্যাজেট হয়ে আসার পর পরই অবিলম্বে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকেও জানিয়ে দেওয়া হবে।
স্পিকার বরাবর দেওয়া পদত্যাগপত্রে ফেরদোসি আহমেদ মিষ্টি উল্লেখ করেছেন, “আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী ফেরদোসি আহমেদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি সম্পূর্ণ সজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় জাতীয় সংসদের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।”
তিনি চিঠির শেষে অনুরোধ জানিয়ে আরও লেখেন, “অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে আমার পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে পদত্যাগ কার্যকর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আপনার সদয় মর্জি হয়।”
আজ সংসদ ভবনে এসে মাত্র ১৫ মিনিট অবস্থান করেন এমপি মিষ্টি। সংসদে প্রবেশের সময় তাঁর হাতে একটি ফাইল দেখা গেলেও, সংসদ ভবন থেকে তিনি যখন বের হন তখন তাঁর হাত খালি ছিল।
পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর মিষ্টি গণমাধ্যমকে জানান, “আমাকে স্পিকার ডেকেছেন, তাঁর সঙ্গে দেখা করেছি। আমি স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছি।”
দেশের সংসদীয় রাজনীতিতে এটি একটি বড় ঘটনা! এই দ্রুত পদত্যাগ এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আপনার কী মতামত? কমেন্টে জানান।